Header Ads

মাটির জিনিস যেভাবে তৈরি করা হয় – একজন কুমারের গল্প

তিনি একজন গরীব কুমারমাটির জিনিসপত্র তৈরি করাই তার পেশাবংশ পরম্পরায় তিনি এই কাজ করে আসছেনকেমন আছেন তিনি তার পরিবার নিয়ে? আজকের ভিডিওতে আমরা দেখবো একজন কুমারের সংগ্রামী জীবন

একজন কুমারের সকাল শুরু হয় মাটি প্রস্তুত করার মধ্য দিয়েকারণ, অল্প সময় পরই তাকে এই মাটি দিয়ে তৈরি করতে হয় বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র

দারিদ্রতা একজন কুমারের জীবনের সঙ্গী হয়ে থাকলেও শিল্পের ছোঁয়া তাকে সেই অভাবকে মুছে দেয়ার জন্য যথেষ্টনিজের হাতে তৈরি করা নানান জিনিসপত্র তাকে দেয় অন্য রকম এক আনন্দএকজন কুমারের বাড়ির যে দিকে তাকানো হয় চারিদিকে বিছানো থাকে তার শিল্পের ছোঁয়া

মাটি প্রস্তুত করার পর কুমারকে বসতে হয় চাকতির সামনেমূলত এই চাকার সাহায্যে নিজের হাতের কৌশলকে ব্যবহার করে কুমারেরা মাটির জিনিস তৈরি করে থাকেনিজের শক্ত হাতে একটি বাঁশ দিয়ে প্রথমে এই চাকাকে ঘুরিয়ে সচল করে নিতে হয়

প্রত্যেক কুমারের হাতের মাঝে লুকিয়ে থাকে এক অদৃশ্য যাদুএক খণ্ড মাটি থেকে তার হাতের কৌশলে মুহূর্তেই বেরিয়ে আসে মাটির বিভিন্ন জিনিসপত্রহাড়ি, কলস, ফুলের টব থেকে নানান ধরনের মাটির জিনিস তৈরি হয় তার হাতের ছোঁয়ায়

বাড়ির গৃহিণীও কিন্তু কম যায় নাতিনিও তার হাতের ছোঁয়ায় তৈরি করেন নানান ধরনের মাটির জিনিসবাড়ির পুরুষের সাথে কাজ করে তিনিও অবদান রাখেন সংসারের অর্থনীতিতে

মাটির জিনিস তৈরি করা শেষ হলে তারপর সেইগুলো উন্মুক্ত মাঠে সাজিয়ে রাখা হয় রোদে শুকানোর জন্যএভাবে টানা দুই তিন দিন রোদে শুকানো শেষে রং করার প্রস্তুতি নেয়া হয়

স্বামী স্ত্রী উভয়ে শুকনো জিনিসগুলো একত্রে রং করার কাজ করে থাকেনমাঠে বসে একে একে প্রত্যেকটি জিনিসে রং লাগানো হয় এবং তারপর সেই গুলো ঘরে ও বাইরে বিভিন্ন জায়গায় জমা করে রাখা হয়



মাটির জিনিসে রং লাগানোর পরের কাজ হচ্ছে পুড়ানোকুমার তার তৈরিকৃত প্রত্যেকটি জিনিস মাঠ থেকে উঠিয়ে একটি নির্দিষ্ট ঘরে জমা করে এবং সেখানেই এই গুলি আগুনে পুড়িয়ে শক্ত করা হয়পুড়ানো এই সকল মাটির জিনিস পরবর্তীতে বাজারে বিক্রয়ের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়আর এই ভাবেই এগিয়ে চলে একজন কুমারের প্রতিদিনের জীবনের গল্প

 

 

 

 

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.