Header Ads

ইরান-ইসরাইলের সামরিক শক্তি !

বর্তমান মুসলিম বিশ্বের সিংহ পুরুষ প্রেসিডেন্ট আহমেদিনেজাদ এবং মুসলমানদের শক্তির প্রতীক ইরানমার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও রাশিয়ার মতো দেশগুলো যখন ছলচাতুরী এবং হুমকি ধামকি দিয়ে একের পর এক মুসলিম দেশ দখল করে নিচ্ছে এবং সামরিক অভিযান চালিয়ে ধ্বংস করে দিচ্ছে সেখানে ইরানই একমাত্র ব্যতিক্রমী মুসলমান রাষ্ট্র

যারা মার্কিনদের কখনোও ভয় পায় না বা তাদের ভয় করে চলে নাবিশ্বের অন্যান্য মুসলমান রাষ্ট্রগুলো যখন মার্কিনীদের হুমকি ধামকিতে তটস্থ থাকে তখন ইরানই একমাত্র মুসলমান দেশ যারমার্কিনীদের হুমকিতে ভিত না হয়ে তাদের উল্টো হুমকি দিতে জানেসিংহের মতো মুসলমানদের প্রকৃত গুণাবলি ইরানের মধ্যে থাকার কারণে ইরান আজ শয়তানি শক্তির দৃষ্টিতে পড়েছে। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি দেশ সমূহ পারমানবিক শক্তি অনেক পূর্বেই অর্জন করে থাকলেও ইরান যেখানে পরমাণুকে জ্বালানী তৈরিতে ব্যবহার করছে সেখানে তারা ইরানের বিরুদ্ধে পারমানবিক বোমা তৈরির দোষারোপ করে তাদের বিরুদ্ধে বারবার নানা ধরনের অবরোধ আরোপ করছে জাতিসংঘকে ব্যবহার করে তারা ইতোমধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে কয়েকবার অর্থনৈতিক, সামরিক, বাণিজ্যিক অবরোধ আরোপ করেছিল 

কিন্তু ইরান এমনই একটি দেশ যারা শুধু ইসলামী জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আলাদা একটি সামরিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেফলে শত্রু বাহিনীর অবরোধ ইরানের কোনও ক্ষতি করতে পারে নিইরানকে বারবার ঘায়েল করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হবার পর শত্রু বাহিনী এবার ইরানে সামরিক আক্রমণ করার জন্য চেষ্টা করছেমধ্যপ্রাচ্যের বিষবৃক্ষ ইসরাইলকে ইরানের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সহ তার মিত্ররা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ছক কষছে। 

বর্তমানে যুদ্ধের যা তোড়জোড় তাতে ধারনা করা হচ্ছে ২০১২ সালের শেষ দিকে বা ২০১৩ সালের প্রথম দিকে এই যুদ্ধ দানা বাধবেইরান যদি সত্যিই আক্রান্ত হয় তবে মূল যুদ্ধটা হবে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যেইরান ইতোমধ্যে বলেছে তারা পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ইসরাইলকে মুছে দিবে আবার ইসরাইল বলেছে তারা ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে ইসরাইলের সাথে মিত্র হিসেবে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং ইরানের সহযোগী হিসেবে থাকতে পারে সিরিয়া ও ফিলিস্তিন

ইরান ও ইসরাইল একে অপরকে ধ্বংস করার ঘোষণা দিয়েছেন কিন্তু সত্যিই কি ইরান তাদের কথা রাখতে পারবে? এর আগে আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধের আগে সাদ্দাম হোসেন ও ওসামা বিন লাদেন মার্কিনীদের ধ্বংস করে দেবার কথা বলেছিল কিন্তু তাদের শক্তি কম থাকায় তারা কুলিয়ে উঠতে পারে নিএবার ইরান কি পারবে? পারবে কি পারবে না সেটা যুদ্ধ শুরু হলে বোঝা যাবে, তবে তার আগে চলুন আমরা ইরান ও ইসরাইলের সামরিক শক্তি সম্পর্কে জেনে আগাম কিছু অনুমান করার চেষ্টা করি

ইরানের জনসংখ্যা ইসরাইলের জনসংখ্যার চেয়ে প্রায় ১০ গুন বেশী এবং তাদের সামর্থবান রাখা হয় সামরিক সদস্য হিসেবে ইরানের দুর্বলতা এই যে, তাদের এমন অনেক যুদ্ধাস্ত্র রয়েছে যা ইসরাইলের চেয়ে অনেক সেকেলে, যা প্রায় ১৯৭৯ সালের দিকেরকিন্তু ইসরাইলের যুদ্ধাস্ত্রগুলো নতুন ও আধুনিকইরানের অনেক ট্যাঙ্ক ও যুদ্ধ বিমান আছে যেগুলো পুরাতন এবং পূর্বের মডেলেরতবে তারা বর্তমানে তাদের আকাশ পথে অত্যাধুনিক কিছু যুদ্ধ বিমানের সংযোগ ঘটিয়েছে

সামরিক বাহিনী:

মার্কিন বিশেষজ্ঞদের মতে ইসরাইলের সৈন্য বাহিনী ইরানী বাহিনীর চেয়ে বেশী শক্তিশালী এবং প্রশিক্ষিত তবে তারা বলেন কিছু কিছু ক্ষেত্রে আবার ইরানী বাহিনী ইসরাইল থেকে অনেক এগিয়ে আছেতাদের মতে ইরানের রেভ্যুলেশনারি গার্ড বাহিনী বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্তএই বাহিনীকে অনেক শক্তিশালী ও সময়ের চাহিদায় আধুনিক করে গড়ে তোলা হয়েছেএই বাহিনীর সাথে ইরানের অন্য বাহিনী বা ইসরাইলি বাহিনীর তুলনা চলে নাইরানের রয়েছে বিশেষ কুর্দি বাহিনী ও নেভাল বাহিনী, যাদের শক্তি সম্পর্কে সবার অজানাতারা অপ্রচলিত অস্ত্র এমনকি ছোট ছোট অস্ত্র নিয়ে গেরিলা যুদ্ধ করতে সক্ষম

বিশেষজ্ঞরা বলে ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ শুরু হলে দুপক্ষের সৈন্য বাহিনী খুব দ্রুত সম্মুখ যুদ্ধ করবে নাকারণ তাদের দুই দেশেরই আছে দূর পাল্লার যুদ্ধ বিমান, যুদ্ধাস্ত্র, নৌ বাহিনীর ছোট যুদ্ধ বিমান এবং শক্তিশালী সব ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র

ইসরাইলি অধিবাসীদের ১৮ বছর বয়স হলে সকল পুরুষকে সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হয়। সে হিসেবে ইসরাইলের আছে প্রায় ১,৭৬,৫০০ প্রশিক্ষিত বাহিনী। যার মধ্যে প্রায় ১,৩৩,০০০ শুধুমাত্র সেনাবাহিনী। এদের মধ্যে প্রায় ১,০৭,০০০ জন এমন সৈন্য রয়েছে যাদের জোর করে সেনাবাহিনীতে ঢোকানো হয়েছে। ইসরাইলের রয়েছে প্রায় ৯৫০০ নৌসেনা এবং প্রায় ৩৪০০০ বিমান সেনা। সকল সৈন্য বাহিনী যোগ করে ইসরাইলের সৈন্য বাহিনী সংখ্যা দাড়ায় প্রায় ৫,৬৫,০০০ জন।

ইরানের প্রশিক্ষিত বাহিনীর সংখ্যা প্রায় ৫,২৩,০০০ জন। যার মধ্যে শুধুমাত্র সেনাবাহিনীর সংখ্যা প্রায় ৩,৫০,০০০ জন। এদের মধ্যে প্রায় ২,২২,০০০ সদস্য বাধ্যতামূলক সৈন্য বাহিনী। শক্তিশালী ইরানি রেভ্যুলেশনারি বাহিনীর সংখ্যা প্রায় ১,২৫,০০০ জন।

ইরানের যুবকদের বয়স ১৯ বছর পূর্ণ হলে তাদের ১৮ মাস বাধ্যতামূলক সেনা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হয়। ইরানের রয়েছে প্রায় ১৮,০০০ নৌবাহিনী এবং প্রায় ৪২ হাজার বিমান বাহিনী।

ইরান
ইসরাইল
মোট জনসংখ্যা
৭৮.৯ মিলিয়ন
৭.৫ মিলিয়ন
মোট পুরুষ
২৩ মিলিয়ন
১.৮ মিলিয়ন
মূল সৈন্য
৫৪৫,০০০ জন
১৮৭,০০০ জন
রিজার্ভ সৈন্য
৬৫০,০০০ জন
৫৬৫,০০০ জন

ট্যাঙ্ক, সাবমেরিন ও যুদ্ধ বিমান:


ইসরাইলের প্রায় ৩০০০টি সুসজ্জিত ট্যাঙ্ক আছে। যার মধ্যে অন্যতম Merkava MkI, 455 Merkava MkII, 454 Merkava MkIII, 175 Merkava MkIV ও ২০৬ সেঞ্চুরিয়ান মডেল। এছাড়া ইসরাইলি বাহিনীর আছে ১০,৪৮৪টি আর্মার, ৫,৪৩২ খণ্ড আর্টিলারি, ৬২০ স্ব-নিয়ন্ত্রিত অস্ত্র এবং ৪৫৬টি টানা আর্টিলারি।

ইরানি সেনাবাহিনীর আছে ১৬১৩টি ট্যাঙ্ক। যাদের মধ্যে প্রায় ১০০টি তারা নিজেরা তৈরি করেছে এবং বাকিগুলোর মধ্যে প্রায় ১০০ টি ১৯৭৯ সালের ব্রিটিশদের তৈরি, ১৫০টির মতো আমেরিকানদের তৈরি, ৪৮০টি রাশিয়ার তৈরি এবং ৫৪০টি সাধারণ মানের। ইরানের আছে ৮১৯৬ টি আর্টিলারি, ২০১০টি টানা আর্টিলারি ও ৮০০টি স্ব-নিয়ন্ত্রিত অস্ত্র।

ইসরাইলি সেনাবাহিনীর আছে ১৩৮টি রকেট সিস্টেম, ৭৫০টি মর্টার, ৯০০ ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী অস্ত্র এবং ২০০টি বিমান বিধ্বংসী অস্ত্র। পক্ষান্তরে ইরানের রয়েছে ২০০টি রকেট সিস্টেম, ৫০০০টি মর্টার, ১৪০০ ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী অস্ত্র এবং ১৭০১টি বিমান বিধ্বংসী অস্ত্র।


ইরান
ইসরাইল
ট্যাঙ্ক
১৬১৩
৩৫০১
আর্টিলারি
২০১০
৪৫৬
স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র
৮৬৫
৬২০
রকেট সিস্টেম
২০০
১৩৮
মর্টার
৫০০০
৭৫০
ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী অস্ত্র
১৪০০
৯০০
বিমান বিধ্বংসী অস্ত্র
১৭০১
২০০
সহায়তাকারী বাহন
১২,০০০
৭৬৮৪

ইসরাইলী নৌবাহিনীর আছে জার্মানির তৈরি তিনটি ডলফিন সাবমেরিন, যা দূরবর্তী সমুদ্রে দ্রুত পারমানবিক বোমা পরিবহনে সক্ষম। অপর দিকে ইরানের রয়েছে বৃহৎ আকারের শক্তিশালী ২৩টি সাবমেরিন। যার মধ্যে ১৫টি সাবমেরিন বড় পরিসরে সৈন্য পরিবহনে সক্ষম। ইরানের ১২টি ক্ষুদ্র সাবমেরিন রয়েছে যেগুলো উপসাগরে লড়াই করার জন্য উপযুক্ত। এছাড়া ইরানের প্রায় ১০০টি প্যাট্রোল সামুদ্রিক যুদ্ধ জাহাজ রয়েছে।

বিমান বহরে ইসরাইলের প্রায় ৪৬০টি বিমান রয়েছে। যার মধ্যে ১৬৮টি ফাইটার বিমান, ২২৭টি স্থল হামলার বিমান, ৬৫টি আক্রমনাত্নক বিমান ও ৮৬টি যুদ্ধ সরঞ্জাম পরিবহন বিমান। ইসরাইলের আছে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ৮১টি হেলিকপ্টার। যার মধ্যে অন্যতম আছে কোবরা ও এপাচি। পরিবহনের জন্য ইসরাইলী বাহিনীর আরও ২০০টি হেলিকপ্টার রয়েছে। অন্যদিকইরানের রয়েছে ৩৩৬টি যুদ্ধ বিমান। যার মধ্যে ১৮৯টি ফাইটার বিমান রয়েছে। যেগুলোর মধ্যে অন্যতম মার্কিনদের তৈরি F5B jets, F5E Tiger IIs, রাশিয়ার তৈরি 35 Mig-29A jets. ইরানের ১০৮টি স্থল যুদ্ধ বিমান রয়েছে। যেগুলো ইরান ও রাশিয়ার তৈরি। এছাড়াও পরিবহনের জন্য ইরানের ১১৬টি আধুনিক বিমান রয়েছে। স্থল যুদ্ধ ও পরিবহনের জন্য ইরানি বাহিনীতে আছে আধুনিক যুদ্ধ হেলিকপ্টার।


ইরান
ইসরাইল
নৌবাহিনীর জাহাজ
২৬১
৬৪
বাণিজ্যিক জাহাজ
৭৪
১০
্রধান বন্দর
বিমান পরিবহন
সাবমেরিন
১৯
দ্রুতগামী জাহাজ
পেট্রোল ক্রাফট
১৯৮
৪২
দ্রুতগামী বিমান
২৬

মিসাইল পাওয়ার:


ইরানের দূর পাল্লার বা স্বল্প পাল্লার শক্তিশালী প্রায় ১০০০ মিসাইল রয়েছে। মিসাইল রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার জন্য দায়িত্বে থাকেন রেভ্যুলেশনারি গার্ড বাহিনী। ইরান তৈরি করেছে ৩০০টি স্বল্প পাল্লার ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। যাদের নাম শাহাব-১, শাহাব-২ এবং তোন্ডার-৬৯। ইরান দূর পাল্লার শাহাব-৩ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে যার দূরত্ব ১০০০ কিলোমিটার এর উপরে। তারা আরও বানিয়েছে ঘাদর-১ নামের ১৬০০ কিলোমিটার দূরত্বের মিসাইল। সাজ্জিল-২ নামে ইরান যে মিসাইলটি তৈরি করেছে সেটির দূরত্ব সবচেয়ে বেশী, যার দূরত্ব ২৪০০ কিলোমিটার। ইরানের এই মিসাইল শক্তি ইসরাইলের যেকোনো স্থান ছাড়াও মধ্য প্রাচ্যের সকল স্থান অতিক্রম করে পূর্ব ইউরোপ পর্যন্ত হামলা করতে সক্ষম।

২০০৯ সালে ইরান আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপণ যোগ্য স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে। যা যেকোনো ধরনের লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম। এছাড়াও ইরানি রেভ্যুলেশনারি বাহিনীর কাছে রয়েছে ২৪টি শক্তিশালী স্বল্প পাল্লার লাঞ্চার। ২০১২ সালে ইরান এয়ার মিসাইলের পরীক্ষা চালিয়েছে যা পারমানবিক বোমা বহনে সক্ষম।

ইরানকে মোকাবেলায় ইসরাইলও তৈরি করেছে আরও শক্তিশালী কিছু স্বল্প পাল্লা ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। তাদের তৈরি Jericho-1 এর দূরত্ব ১৪০০ কিলোমিটার, Jericho-২ এর দূরত্ব ২৮০০ কিলোমিটার এবং Jericho-৩ এর দূরত্ব ৫ হাজার কিলোমিটার। ইসরাইলের Jericho-৩ মিসাইলটি ১০০০ কেজি ওজনের পারমানবিক বোমা দক্ষিণ আমেরিকা পর্যন্ত বয়ে নিতে সক্ষম।

ইরান
ইসরাইল
স্বল্প পাল্লা
শাহাব-২ (১২৮০ কিমি)
জেরিকো-১ (১৪০০ কিমি)
মধ্যম পাল্লা
ঘাদর-১ (১৬০০ কিমি)
জেরিকো-২ (২৮০০ কিমি)
দূর পাল্লা
সাজ্জিল-২ (২৪০০ কিমি)
জেরিকো-৩ (৫০০০ কিমি)

বিশেষজ্ঞদের মতে ইরান ও ইসরাইলের প্রকৃত যুদ্ধ সরঞ্জামের বিবরণ এগুলো নয়। কারণ তারা তাদের সামরিক শক্তিকে বাইরের বিশ্বে তেমনভাবে প্রকাশ করে না। ২০০৯ সালের দিকে প্রাপ্ত ইরানের সামরিক শক্তিকে এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। ২০১০ সালের পর ইরান ও ইসরাইল উভয় অনেক মারাত্মক সব অস্ত্র নির্মাণ ও ক্রয় করেছে। ইরান সম্প্রতি ড্রোন বিমান তৈরি করেছে, যে বিমান নি:শব্দে পাখির মতো এসে ইসরাইলকে তামা করে দিতে সক্ষম। 

ইরান নতুন নতুন যুদ্ধ জাহাজের প্রবেশ ঘটিয়েছে যা সমুদ্রে ইরানের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করিয়েছে। ইরানের নতুন যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভিন্ন ইন্টারনেট ব্যবস্থা, শক্তিশালী রাডার ব্যবস্থা, নতুন স্যাটেলাইট ব্যবস্থা সম্পর্কে বাইরের বিশ্বের কোনও ধারনা নেই।

ইরানের পাশাপাশি ইসরাইলও তাদের সামরিক শক্তিতে পিছিয়ে নেই, বরং কিছু কিছু বিষয়ে তারা আরও এগিয়ে আছে। তাছাড়াও তাদের পাশে রয়েছে বিশ্বের অপ্রতিরোধ্য ক্ষমতাধর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

ইরান ও ইসরাইল যুদ্ধ আসন্ন। এখন দেখার বিষয় যুদ্ধ শুরুর পরে কারা তাদের শক্তির পরিচয় সত্যিকারভাবে মেলে ধরতে পারে। ইসরাইলের আছে যুক্তরাষ্ট্র পাশে সেই সাহস আর ইরানের সাথে মহান আল্লাহ আছে সেই সাহস নিয়ে যুদ্ধের ক্ষণ গণনা করছে দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র।

১০টি মন্তব্য:

  1. আমি ইরান কে ভালবাসি।ভালবাসি ইরানের মজলুম জনগন।সম্মান করি সর্বোচ্ছ নেতা আয়তুল্লাহ উজমা খোমেনি কে।সম্মান করি বর্তমান মুসলমানদের মধ্য সাহসি ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট ডক্টর মাহমুদ আহমাদিনেজাদ কে।আমার বিশ্বাস যুদ্ধ বাধলে ইরান জয়ী হবে কারন আল্লাহ যাদের সাথে থাকে তাদের জয় নিশ্চিত।

    আপনার পোস্টের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।ইরান বিষয়ে নিয়মিত লিখলে আরে খুশি হব।

    উত্তরমুছুন
  2. Md. Taleb আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমরা সকল মুসলমানরা চাই মুসলমানদেরকেই আল্লাহ তায়ালা বিজয় দান করবেন। তবে আমাদের উচিত একতাবদ্ধ হওয়া এবং একে অপরকে সাহায্য করা।

    উত্তরমুছুন
  3. Nicchoi Allah Musolmander sathe acen. Amra chai Iran ke jeno kno war e jorate na hoy bcause next war condition world Muslimder jonno aro furious hote pare. Dhonnobad sumon vaia.

    উত্তরমুছুন
  4. ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ হয়তো থামনো যাবে না। তবে যদি যুদ্ধ হয় আমরা দোয়া করি আল্লাহ যেন মুসলমানদের সাহায্য ও বিজয় দান করেন। মন্তব্যের জন্য ya Ismail আপনাকে ধন্যবাদ।

    উত্তরমুছুন
  5. Hi there, all the tie i used to check website posts here in the early hoours in the morning, since i love tto learn more and more.


    Here is my homepage cheap instagram likes

    উত্তরমুছুন
  6. ইরানের অস্ত্র ক্রয়ে আর্থিক সহায়তা করতে কি করতে হবে?

    উত্তরমুছুন

Blogger দ্বারা পরিচালিত.